মরুভূমিতে এক স্বর্ণখনি – মালির গল্প

মালি বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে দরিদ্রতম দেশগুলোর একটি হিসেবে বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিত। মানুষের গড় আয়ু এবং স্বাক্ষরতার হার সেখানে বিপজ্জনকভাবে কম। গোত্রভিত্তিক কোন্দলকে কেন্দ্র করে মালির উত্তরাঞ্চলে তুয়ারেগ গোত্রের বিদ্রোহ দেশটিকে দুভাগে বিভক্ত করার ঝুঁকির মুখে ফেলেছে, যার কারণে মালি সাম্প্রতিক বিশ্ব খবরেও উঠে এসেছে। কিন্তু মালির জীবন সবসময়ই এমন নেতিবাচক বা হতাশায় পরিপূর্ণ ছিলনা। একসময় মালি ছিল একটি সফল মুসলিম রাষ্ট্রের উজ্জ্বল উদাহরণ। ছিল বিশ্ববাসীর কাছে ঈর্ষার বস্তু। সত্যিই দেশটা ছিল যেন মরূভূমিতে এক স্বর্ণের খনি।

ভূগোল
মালি হিসাবে পরিচিত অঞ্চলটি সাহারা মরুভূমির দক্ষিণ প্রান্তসীমায় অবস্থিত। তাই মালিতে দু’টি ভিন্ন ধরনের অঞ্চল রয়েছে। উত্তরাঞ্চলে রয়েছে শুষ্ক ও অনুর্বর মরুভূমি, আর এর থেকে দক্ষিণ দিকে তা ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়েছে ঘনবর্ষণ বনাঞ্চলে। এই অঞ্চলটি ‘সাহেল’ নামে পরিচিত।

মালিতে উর্বর জমির অভাব থাকলেও অন্যান্য অতি মূল্যবান সম্পদ সে অভাব পূরণ করে দিয়েছে। স্বর্ণ ও লবণের খনি শত শত বছর ধরে মালির অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করছে। মালির উত্তরাঞ্চল থেকে বাণিজ্যপথ বর্ধিত হয়ে উত্তর আফ্রিকার উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল, যেখানকার ধনী ব্যবসায়ীগণ ইউরোপ ও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় পাঠানোর জন্য চড়ামূল্যে স্বর্ণ ও লবণ কিনতে আগ্রহী ছিল। এই বাণিজ্যপথগুলো মাদিন্‌কা নামক পশ্চিম আফ্রিকার স্থানীয় গোত্রটিকে অবিশ্বাস্যরকম সম্পদশালী গোত্রে পরিণত করেছিল।

অতীতের মালি ও ইসলাম
এই বাণিজ্যপথগুলো দিয়ে শুধুমাত্র মালামালই কেনাবেচা হতোনা। আইডিয়া বা চিন্তার ধারাও প্রবাহিত হতো উত্তর থেকে দক্ষিণে। স্বর্ণ আর লবণের সাথে সাথে মুসলিম বণিকগণ ইসলামকেও সাথে করে নিয়ে যেতেন। ফলে ৮ম শতক থেকে ইসলাম ধীরে ধীরে পশ্চিম আফ্রিকার সাহেলে শিকড় গাড়তে শুরু করে। প্রথমদিকে পশ্চিম আফ্রিকার অমুসলিমরা ইসলামকে দমিয়ে রাখতে চেষ্টা করে, কিংবা ক্ষেত্রবিশেষে অন্ততপক্ষে সাধারণ জনগণ থেকে মুসলিমদের আলাদা রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু যখন মানুষ দলে দলে ইসলাম গ্রহণ করতে শুরু করে তখন ধীরে ধীরে ইসলামী রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়ে যায়।

timbuktu

আফ্রিকার মানচিত্রে তৎকালীন বাণিজ্যপথগুলো দেখা যাচ্ছে যেগুলো দিয়ে এই অঞ্চলে ইসলামের আগমন ঘটে

 

‘মালি’ নামক এক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন সুনদিয়াতা কেইতা নামক এক ব্যক্তি, যিনি ইতিহাসে বেশ অজ্ঞাত, তার ব্যাপারে পরিষ্কারভাবে কিছু জানা যায়না। তার জীবনের অনেক গল্প শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে লোকমুখে প্রচলিত হয়ে আসছে। যার ফলে সময়ের সাথে প্রকৃত ঘটনা বিকৃত হয়ে গিয়েছে (উদাহরণস্বরূপ, একটি উপাখ্যান হচ্ছে তিনি একটি পূর্ণবয়স্ক বড় গাছ সমূলে উপড়ে ফেলেছিলেন এবং সেটা আবার তার মায়ের উঠানে রোপণ করেছিলেন)। তবে আমরা যা জানি তা হলো, তিনি মালি সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তন করেন এবং ১২৩০-এর দশকে পশ্চিম আফ্রিকার মুসলিম জনগণের জন্য একটি শক্ত অবস্থান সৃষ্টি করেছিলেন। তিনি “মান্‌সা” উপাধি ধারণ করেন, মাদিন্‌কা ভাষায় যার অর্থ হলো রাজা।

মান্‌সা মুসা এবং তাঁর হজ্জ
মালির দশম “মান্‌সা” বা রাজা ছিল “প্রথম মুসা” যিনি ১৩১২ সাল থেকে ১৩৭৭ সাল পর্যন্ত মালি শাসন করেন। তাঁর ভাই মান্‌সা আবু বকর আটলান্টিক মহাসাগরে আমেরিকা আবিষ্কারের অভিযানে বের হলে মুসাকে রাজ্য পরিচালনার দায়িত্ব দিয়ে যান। তাঁর শাসনামল সম্পর্কে আমরা যা জানি তার বেশীরভাগই এসেছে ১৩২৪ সালে তাঁর হজ্জ পালনের ঘটনা থেকে।

mansa_musa

ছবিতে ইউরোপীয় অ্যাটলাসে মান্‌সা মুসা’র রূপায়ণ

একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিম হিসেবে মান্‌সা মুসা ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভ হজ্জ পালনের সিদ্ধান্ত নেন। ভৌগলিকভাবে দুর্গম অঞ্চলে অবস্থিত বলে মালি থেকে মক্কায় যাত্রা এখনকার আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থাতেই কঠিন, আর তখনতো ছিল সেটা প্রায় অসম্ভব একটি ব্যাপার। তারপরও ১৩২৪ খ্রিস্টাব্দে মুসা ৬০,০০০ লোকের এক বিশাল কাফেলা নিয়ে মক্কার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।

যেহেতু তাঁর সাম্রাজ্য ছিল পৃথিবীর অন্যতম ধনী সাম্রাজ্যের একটি, স্বাভাবিকভাবেই সেই কাফেলা যাত্রাপথে সকলের মনে ছাপ রেখে যায়। কাফেলায় ছিল ১২,০০০ চাকর-বাকর, প্রত্যেকের পরনে ছিল মূল্যবান সিল্কের পোশাক ও সাথে ছিল ৪ পাউন্ডের এক স্বর্ণখন্ড। ৮০টি উটের প্রত্যেকটি ৫০ থেকে ৩০০ পাউন্ডের স্বর্ণগুড়া বহন করছিল যেগুলো যাত্রাপথে গরীবদের মাঝে বিলানো হয়েছিল। অভুতপূর্ব জীবজন্তু এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষের আনাগোনা এই কাফেলার যাত্রাটিকে মহাকাব্যিক করে তোলে এবং যে ব্যক্তিই কাফেলাটি অবলোকন করেছে তাদের মনে তা স্থায়ী ছাপ ফেলতে সক্ষম হয়েছিল। এই জাঁকজমক কাফেলার বিভিন্ন বর্ণনা বিভিন্ন এলাকার লোকজনের মুখে মুখে চালু হয়ে যায়।

মক্কার যাত্রাপথে মান্‌সা মুসা মিশরে যাত্রাবিরতি নেন। প্রথমে তিনি মিশরের মামলুক সুলতানের সাথে দেখা করতে অস্বীকৃতি জানান কারণ তখনকার রীতি অনুযায়ী সুলতানকে মাথা নিচু করে কুর্নিশ করতে হতো। মুসা দৃঢ়কন্ঠে জানান দেন যে তিনি শুধুমাত্র এক আল্লাহ্‌র সামনেই মাথা নোয়ান। মামলুক সরকার তাঁর আচরণে বেশ প্রভাবিত হয়, কারণ কর্মকর্তারা লক্ষ্য করেন যে তিনি কুরআন জানেন এবং সময়মতো নামাজ পড়াকে বেশ গুরত্ব দেন। মুসা স্পষ্টতই একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিম ছিলেন।

মুসার এই অঢেল পরিমাণ সম্পদ মিশরে কিছু অনিচ্ছাকৃত ফলাফল বয়ে নিয়ে। তিনি সরকারী কর্মকর্তা, গরীব জনগণ, স্কলারসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষের মাঝে স্বর্ণ বিতরণ করেন। কিন্তু চাহিদা ও যোগানের নিয়মানুযায়ী স্বর্ণের দাম সেখানে একদম পড়ে যায়, যা মিশরের অর্থনীতিকে একদম বিকলাঙ্গ করে দেয়। এমনকি এই ঘটনার এক দশক পরেও, ইবনে বতুতার মিশর সফরের সময়ও তিনি লক্ষ্য করেন মিশরের অর্থনীতি মুসার সফরের প্রভাব বা সেই মন্দাভাব কাটিয়ে উঠতে পারেনি। মুসার মিশর সফর মালি সাম্রাজ্যের ধনসম্পদ ও এর গুরত্বের এক নিদর্শন বহন করে, এটি দেখিয়ে দেয় মালি সাম্রাজ্যের গুরুত্ব কতখানি, এমনকি দূরদূরান্তের রাজ্যসমূহতেও।

মালিতে প্রত্যাবর্তন
হজ্জের পর জন্মভূমি মালিতে ফিরে আসার সময় মান্‌সা মুসা সবচেয়ে বুদ্ধিমান ও প্রতিভাবান মুসলিমদেরকে নিয়ে আসার ব্যাপারে গুরত্ব আরোপ করেন। তাঁর প্রচুর ধনসম্পদ থেকে তিনি স্কলার, শিল্পী, শিক্ষক, স্থপতি এবং অন্যান্য পেশার লোকদের অর্থপ্রদান করেন যেন তারা মালিতে এসে এখানকার ইসলাম প্রচার ও প্রসারে অবদান রাখেন। মিশর, সিরিয়া, ইরাক, আল-আন্দালুস (মুসলিম স্পেন) এবং হেজাজ থেকে তিনি প্রতিভাবান ব্যক্তিদের মালিতে নিয়ে আসেন।

timbuktu-street-mosque-mali

ছবিতে সান্‌কোরে মসজিদ ও বিশ্ববিদ্যালয়, মালির স্বকীয় স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন

মালির উপর এর প্রভাব ছিল অপরিমেয়। মালির স্থাপনাগুলোর মধ্যে স্পেনীয়, আরব ও পারস্যের স্থাপত্যকলার প্রভাব পড়তে শুরু করে। বিভিন্ন সংস্কৃতির এক স্বকীয় মিশ্রণের ফলে সৃষ্ট এই স্থাপত্যকলা আজও পশ্চিম আফ্রিকায় দেখা যায়। মান্‌সা মুসার হজ্জ প্রখ্যাত শহর তিম্বুক্তুর জন্য রহমতস্বরূপ ছিল, কেননা সেখানে সান্‌কোরে মসজিদের মতো অনেক মসজিদ গড়ে উঠে বিশ্বের নামকরা সব স্থপতিদের নকশায়। মান্‌সা মুসা আন্দালুসিয়ার স্থপতি ইবন ইসহাককে ২০০ কিলোগ্রাম স্বর্ণ প্রদান করেন তিম্বুক্তুর সান্‌কোরে মসজিদ নির্মাণ করার জন্য। বিশ্বসেরা স্থপতি, স্কলার এবং শিক্ষকদের ভালো মাইনে দেয়ার সুবাদে মালি এবং তিম্বুক্তু ইসলামী জ্ঞানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।

জ্ঞানের কেন্দ্রবিন্দু
মুসার হজ্জের পর মালির যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনটি ঘটে তা হলো জ্ঞানের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে এর উত্থান। বিশ্বের নামকরা স্কলারদের নিয়ে মালিতে সেসময়কার সবচেয়ে সমৃদ্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয় এবং বিকশিত হয় জ্ঞানার্জনের সংস্কৃতি। গাও ও তিম্বুক্তু শহরগুলোতে ছিল প্রচুর লাইব্রেরী। ব্যক্তিগত ও সরকারী সংগ্রহে ইসলামী আইন, জ্যোর্তিবিজ্ঞান, ভাষা, ইতিহাস থেকে শুরু করে নানা বিষয়ে ছিল হাজার হাজার বই। ভালো ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো তখন আফ্রিকার সকল প্রান্ত থেকে মেধাবী শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করত।

timbuktu-manuscripts-astronomy-mathematics

তিম্বুক্তুর লাইব্রেরীতে তৎকালীন মালির জ্যোতির্বিদ্যা ও গণিতের পাণ্ডুলিপি

জ্ঞান আহরণের এই রীতি আজও মালিতে প্রচলিত। বিভিন্ন পরিবারের ব্যক্তিগত সংগ্রহের লাইব্রেরীতে এখনও শত শত বই দেখা যায়, যার বড় অংশ শত বছরের পুরনো। মান্‌সা মুসার আমল থেকে প্রাপ্ত ঐতিহ্যবাহী সেসব জ্ঞানের ব্যাপারে তারা খুবই সংরক্ষণশীল, যার ফলে বর্হিবিশ্বের জন্য এই লাইব্রেরীগুলোর নাগাল পাওয়া খুব কঠিন।

সাহেল অঞ্চলের মরুকরণের ফলে পাণ্ডুলিপিগুলো আজ হুমকির সম্মুখীন, পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে এই ঐতিহাসিক ও মহামূল্যবান বইগুলো প্রায় নষ্ট হয়ে ধুলোয় পরিণত হচ্ছে। পশ্চিম আফ্রিকায় রাজনৈতিক কোন্দলও বাকি পান্ডুলিপির ধ্বংসের কারণ হয়ে পড়েছে। এইসব মহামূল্যবান বইগুলোকে ডিজিট্যালি সংরক্ষণ করার প্রক্রিয়া হাতে নেয়া হয়েছে। তিম্বুক্তু শিক্ষা ফাউন্ডেশন এই বইগুলো ইতিহাসের অতল গহ্বরে হারিয়ে যাওয়ার আগেই প্রতিটি পৃষ্ঠা স্ক্যান করার উদ্যোগ নিয়েছে। অনলাইনে আজ সবাই প্রতিটি পাণ্ডুলিপিই খুঁজে পেতে পারেন ও পড়তে পারেন।

মালি পশ্চিম আফ্রিকার জ্ঞানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হওয়ার সাথে সাথে ইসলাম এই অঞ্চলের জনগণের হৃদয়ের গভীরে প্রবেশ করতে থাকে। সাধারণ মানুষের জন্যও ধর্মীয় ও সেক্যুলার বিষয়ে শিক্ষিত হওয়ার ব্যাপারটি সাধারণ একটা ব্যাপার হয়ে গিয়েছিল তখন সেখানে। সমাজে শিক্ষার প্রভাব ১৩৫০-এর দশকে ইবনে বতুতার মালি সফরের বর্ণনায় পাওয়া যায়। যেখানে তিনি মন্তব্য করেনঃ

“যদি দিনটি হয় শুক্রবার, তবে কেউই তাড়াতাড়ি মসজিদে না গেলে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে জায়গা পায়না। তাই প্রত্যেক ব্যক্তি তার বালক সন্তানকে আগেই জায়নামাজসহ মসজিদে পাঠিয়ে দেয়া একটা রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ছেলেরা মসজিদে গিয়ে তাদের বাবাদের পছন্দমতো স্থানে জায়নামাজ বিছিয়ে জায়গাটি বাবারা আসা পর্যন্ত দখল করে রাখে।”

উপসংহার
মালির গুরত্ব এবং বিশ্বে এর অবদান বলে শেষ করা যাবেনা। এর ইতিহাসে এটি ছিল ইসলামী জ্ঞান ও সম্পদের কেন্দ্রবিন্দু। ১৯শ শতকে ফ্রান্স উপনিবেশ গড়ার আগ পর্যন্ত ১৬শ থেকে ১৮শ শতকে এর গুরত্ব কমতে থাকে। কিন্তু এর ইতিহাস চিরদিনের জন্য হারিয়ে যায়নি। পশ্চিম আফ্রিকার মুসলিমদের জীবনে এই ইতিহাস এখনো জিইয়ে আছে এবং বিশ্বে মালি যে ঐতিহ্য সৃষ্টি করেছে গিয়েছে তা আজও অব্যাহত।

অনুবাদ করা হয়েছে A Gold Mine in the Desert – The Story of Mali আর্টিকেল থেকে।
অনুবাদকঃ জাহ্‌রা বিনতে মুহাম্মাদ

Sources:

Hamdun, Said, and Noel King. Ibn Battuta in Black Africa. 2nd ed. Bellew Publishing Co Ltd, 1975. Print.

Hill, M. (Jan, 209). The Spread of Islam in West Africa. Retrieved from http://spice.stanford.edu/docs/the_spread_of_islam_in_west_africa_containment_mixing_and_reform_from_the_eighth_to_the_twentieth_century/

Morgan, M. (2007). Lost History. Washington D.C. : National Geographic Society.

Quick, A. H. (2007). Deeper Roots. (3rd ed.). Cape Town: DPB Printers and Booksellers.

Advertisements

About ইসলামের হারানো ইতিহাস

An Islamic history website in Bengali language which is basically the Bengali translation of the “Lost Islamic History” website (lostislamichistory.com) and Facebook page (fb.com/LostIslamicHistory).
This entry was posted in আফ্রিকার ইতিহাস, গণিত ও বিজ্ঞান and tagged , , , , , . Bookmark the permalink.

পোস্টটির ব্যাপারে আপনার মন্তব্যঃ

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s