ইসলামের ইতিহাসে জ্ঞানচর্চা ও শিক্ষাব্যবস্থা

ইসলাম আগমনের শুরু থেকেই শিক্ষা এবং জ্ঞানচর্চার ব্যাপারটি মুসলমানদের মন-মগজে গাঁথা ছিল। মহানবীﷺ এর কাছে সর্বপ্রথম যে শব্দটি নাযিল হয়েছিল তা ছিল “পড়”। নবী ﷺ বলেছেন, “জ্ঞান অর্জন করা সকল মুসলমানের জন্য ফরজ”। মহানবী ﷺ এর এই নির্দেশ পালনের জন্য মুসলিমরা সবসময়ই শিক্ষাব্যবস্থার উপর অধিক গুরুত্ব দিয়ে এসেছে।

ইসলামের ইতিহাস জুড়ে আমরা দেখতে পাই যে, শিক্ষাক্ষেত্র ছিল মুসলিমদের এক গৌরবময় ক্ষেত্র যেখানে তারা সব সময়ই প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে এসেছে। বাগদাদ, কর্ডোভা, কায়রো প্রভৃতি অঞ্চলে মুসলিমরা সুবিশাল গ্রন্থাগার ও শিক্ষাকেন্দ্র নির্মাণ করেছিল। তারাই প্রথম প্রতিষ্ঠা করেছিল শিশুদের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং উচ্চশিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জ্ঞান-বিজ্ঞানে তাদের অভাবনীয় সাফল্যই মানুষকে আজ এই আধুনিক বিশ্বের দিকে ধাবিত করেছে।

শিক্ষার প্রতি মনোভাব
এযুগে শিশুশিক্ষা শুধুমাত্র কিছু নির্দিষ্ট বিষয় ও তথ্য জানার মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং প্রয়োজনীয় শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষকরা শিশুদের আবেগ অনুভূতি, সামাজিক এবং শারীরিক বিকাশেও মনোযোগ দেন। মধ্যযুগীয় ইসলামী শিক্ষাও এর ব্যতিক্রম ছিল না। দ্বাদশ শতাব্দীতে সিরিয়ান চিকিৎসক আল-শায়জারি ছাত্র-ছাত্রীদের পরিচর্যার ব্যাপারে বিশদ লেখালেখি করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে শিক্ষার্থীদের সাথে কঠোর আচরণ করা যাবেনা, কিংবা যেসব কাজে কোন উপকার নেই এমন কাজেও তাদের ব্যস্ত রাখা যাবেনা। বিখ্যাত ইসলামী স্কলার ইমাম আল-গাজ্জালী বলেন “শিশুদের খেলাধুলা থেকে বিরত রাখা এবং সর্বদা শুধুমাত্র পড়াশুনার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা তাদের মানসিক বিকাশকে ধ্বংস করে, বুদ্ধির প্রখরতাকে নষ্ট করে এবং জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে। যার ফলে তারা পড়াশুনায় ফাঁকি দেয়ার জন্য ছলচাতুরির আশ্রয় নেয়।” বরং তিনি বিশ্বাস করতেন পড়ালেখার মাঝে অবশ্যই আনন্দদায়ক কাজও থাকতে হবে, যেমন- বিভিন্ন খেলনা সামগ্রীর ব্যবহার, বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা ইত্যাদি।

প্রথমদিকের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ
ইবনে খালদুন তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ মুকাদ্দিমাতে বলেন “শিশুদের কুরআনের সাথে পরিচয় করে দেয়া ইসলামের একটা প্রতীক। এই নির্দেশ কুরআনের বিভিন্ন আয়াত ও নবীর হাদীস থেকেও পাওয়া যায়, মুসলিমরা সবখানেই এই চর্চা অব্যাহত রেখেছে। কারণ এটা তাদের ইসলামের দৃঢ় প্রত্যয় অর্জনে সাহায্য করে, এবং ঈমানকে করে মজবুত।”

ওসমানী শাসনামলে শিক্ষক এবং ছাত্রদের কার্যক্রম

মুসলিম বিশ্বের প্রথমদিকের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ছিল অনেকটাই অনানুষ্ঠানিক। আলেমদের (বা স্কলারদের) বক্তৃতা শোনার জন্য, তাদের সাথে বই পড়ার জন্য মানুষজন মসজিদে জড়ো হতো এবং এভাবেই জ্ঞান অর্জন করতো। ইসলামের বেশ কিছু বিখ্যাত আলেম (বা স্কলার) এভাবেই ইসলামকে জেনেছেন এবং তাঁদের ছাত্রদের শিখিয়েছেন। ইসলামের চার মাজহাবের ইমামগণ – আবু হানিফা, মালিক, শাফি’ই, এবং আহমাদ বিন হাম্বল স্কলারদের সাথে বিভিন্ন আসরে বসে তাঁদের সাথে আলোচনা করার মাধ্যমে (বিশেষত মসজিদে) তাঁদের অসামান্য ইসলামি জ্ঞান অর্জন করেছেন।

অনানুষ্ঠানিক শিক্ষার এইধারা মুসলিম বিশ্ব জুড়ে কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো বজায় রেখেছে। ইসলামের তিনটি পবিত্রতম স্থান – মক্কার হারাম শরীফ, মদিনার মসজিদে নববী এবং জেরুজালেমের মসজিদে আল-আকসাতে স্কলারগণ নিয়মিত শিক্ষা প্রদান করে থাকেন। যে কেউ এখানে অংশগ্রহণ করতে পারে এবং এর থেকে উপকৃত হতে পারে। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে মুসলিমরা শিক্ষার জন্য আনুষ্ঠানিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়তে শুরু করে।

প্রাথমিক শিক্ষা থেকে উচ্চশিক্ষা
দশম শতাব্দী থেকেই শিশুরা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষালাভ করতো যা “মক্তব” নামে পরিচিত ছিল। সাধারণত মক্তবগুলো মসজিদের সাথে যুক্ত ছিল যেখানে আবাসিক আলেম ও ইমামগণ শিশুদের শিক্ষা দিতেন। মক্তবের পাঠ্যসূচীর মধ্যে ছিল প্রাথমিক আরবী পড়া এবং লেখা, গণিত, এবং ইসলামি আইন। অধিকাংশ মানুষ শৈশবে এসব প্রাথমিক শিক্ষাকেন্দ্র থেকে শিক্ষালাভ করত। মক্তবের পড়াশুনা শেষে শিক্ষার্থীরা কেউ কর্মজীবনে প্রবেশ করত অথবা কেউ উচ্চ শিক্ষার জন্য মাদ্রাসাতে ভর্তি হত। এখানে “মাদ্রাসা” হচ্ছে স্কুলের আরবী শব্দ।

উজবেকিস্তান এর সমরকন্দ তে রেগিস্তান চত্বরে অবস্থিত বিখ্যাত তিনটি মাদ্রাসা

মাদ্রাসাগুলো সাধারণত বড় বড় মসজিদের সাথে যুক্ত থাকত। যেমন মিশরের কায়রোতে অবস্থিত আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় (প্রতিষ্ঠাসনঃ ৯৭০ খ্রিস্টাব্দ) এবং মরক্কো এর “ফেস” নগরীতে অবস্থিত “আল-কারাওনি বিশ্ববিদ্যালয়” (প্রতিষ্ঠাসনঃ ৮৫৯ খ্রিস্টাব্দ)। পরবর্তীতে সেলজুক উজির নিজাম-আল-মুল্‌ক মুসলিম বিশ্বে অসংখ্য মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। মাদ্রাসাতে শিক্ষার্থীরা উচ্চতর ধর্মীয়শিক্ষা গ্রহণ করতো এবং আরবী ভাষার উপর বিশেষ দক্ষতা অর্জন করতো, আর পাশাপাশি চিকিৎসা বিজ্ঞান, গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, ইতিহাস, ভূগোল প্রভৃতি বিষয়ে শিক্ষালাভ করতো। দ্বাদশ শতাব্দীতে কায়রোতে ৭৫টি, দামেস্কে ৫১টি এবং আলেপ্পোতে ৪৪ টি মাদ্রাসা ছিল। তখন মুসলিম স্পেনেও একশটির উপর মাদ্রাসা ছিল।

এই মাদ্রাসাগুলোকে সর্বপ্রথম আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিবেচনা করা যায়। বিভিন্ন বিষয়কে ফ্যাকাল্টিতে বা অনুষদে বিভক্ত করে অভিজ্ঞ আবাসিক স্কলারদের দ্বারা এসব মাদ্রাসা পরিচালিত হত। শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের বিষয়ে অভিজ্ঞ প্রফেসরদের অধীনে কয়েক বছর পড়াশুনা করতো। ইবন খালদুনের লেখনি থেকে পাওয়া যায় যে তাঁর সময় মরক্কোতে মাদ্রাসা পাঠক্রম ১৬ বছর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। তিনি যুক্তি দেখান যে, এটাই (১৬ বছর) সবচেয়ে কম সময় যার মধ্যে একজন শিক্ষার্থী বুঝতে পারে সে তার কাঙ্খিত বিজ্ঞানমনস্ক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করতে পারবে কি পারবে না।
শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা শেষ হলে “ইজাযা” কিংবা লাইসেন্স প্রদান করা হতো যা স্বীকৃতি দিতো যে তারা উক্ত পড়াশুনা শেষ করেছে এবং শিক্ষকতা করার যোগ্য। একজন শিক্ষক নিজে ব্যক্তিগতভাবে তার শিক্ষার্থীদের ইজাযা দিতে পারতেন অথবা কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেমন মাদ্রাসাও শিক্ষার্থীদের এই স্বীকৃতি দিতে পারত। ইজাযার তুলনা করা যায় এই যুগে উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রদানকৃত বিভিন্ন ডিগ্রির সাথে।

জ্ঞানচর্চা ও শিক্ষাক্ষেত্রে মুসলিম নারীগণ
ইসলামের ইতিহাস জুড়ে নারী শিক্ষার ব্যাপারটিকে সবচেয়ে বেশী অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। নারীরা শিক্ষা গ্রহণের যোগ্য নয়, অথবা তারা শিক্ষক হবার উপযুক্ত নয়, এ ধরনের কোন মতবাদ প্রচলিত ছিল না। এই নজির স্থাপন করেছিলেন স্বয়ং রাসূল ﷺ এর স্ত্রী হযরত আয়েশা (রাঃ)। তিনি ছিলেন তাঁর সময়ের অন্যতম বড় একজন স্কলার এবং রাসূল ﷺ এর মৃত্যুর পর তিনি মদিনাতে অনেক মানুষের শিক্ষক ছিলেন।

নারীদের কাজের প্রভাব ইসলামের ইতিহাসের পরবর্তী অংশগুলোতেও দেখা যায়। মুসলিম বিশ্ব জুড়ে নারীরা মসজিদে বক্তৃতা দিতেন, মাদ্রাসায় যেতেন, এবং অনেক ক্ষেত্রে নিজেরাই শিক্ষকতা করতেন। উদাহরণস্বরূপ, দ্বাদশ শতাব্দীর স্কলার ইবন ‘আসাকির, যিনি দামেস্ক নগরী নিয়ে তাঁর লিখিত বই ‘তারিখ দিমাস’ এর জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন, তিনি জ্ঞান অন্বেষণে প্রচুর ভ্রমণ করেন এবং প্রায় ৮০ জন নারী স্কলারের অধীনে জ্ঞানার্জন করেন।

৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে ফাতিমা আল-ফিহ্‌রী প্রতিষ্ঠিত আল-কারাওনি বিশ্ববিদ্যালয়, ফেস, মরক্কো

বিদ্যানুরাগী হিসেবে নারীরা সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসেছেঃ

  • ৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে মরক্কোর “ফেস” নগরীতে মুসলিম বিশ্বের সর্বপ্রথম প্রাতিষ্ঠানিক মাদ্রাসা “আল-কারাওনি বিশ্ববিদ্যালয়” প্রতিষ্ঠা করেন ফাতিমা আল-ফিহ্‌রী নামক একজন বিত্তবান ব্যবসায়ী।
  • আব্বাসী খলিফা হারুন-অর-রশিদের স্ত্রী জুবায়দা ব্যক্তিগত উদ্যোগে হিজাজ অঞ্চলে অনেক মসজিদ, রাস্তাঘাট এবং কূপ খননে আর্থিক সহায়তা দেন। যার ফলে এ অঞ্চলে যাতায়াতকারী অনেক শিক্ষার্থী এই সুবিধাগুলো পেয়ে অনেক উপকৃত হয়।
  • উসমানী সুলতান সুলাইমানের স্ত্রী হুররেম সুলতান বিভিন্ন হাসপাতাল, পাবলিক টয়লেট ও গোসলখানা এবং গরীবদের বিনামূল্যে খাবার বিতরণের জন্য রান্নাঘর প্রতিষ্ঠা করার জন্য অনুদান দেয়ার পাশাপাশি অসংখ্য মাদ্রাসাতেও আর্থিক সাহায্য দেন।
  • দামেস্কে আইয়ুবী শাসনামলে (১১৭৪ – ১২৬০) নারীরা ২৬টি ধর্মীয় স্থাপনা (মাদ্রাসা, মসজিদ এবং ধর্মীয় স্থাপনা) নির্মাণ করেন।

গত ১৪০০ বছরে নারীরা ইসলামিক শিক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসেছেন যা মধ্যযুগীয় ইউরোপে (এমনকি উনবিংশ এবং বিংশ শতাব্দীতেও) অনুপস্থিত ছিল। নারীদের কখনোই সমাজের “অবহেলিত শ্রেণী” হিসেবে দেখা হয়নি, বরং জাতীয় জীবনে বিশেষ করে শিক্ষাক্ষেত্রে নারীরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করে এসেছেন।

আধুনিক ইতিহাস
ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসা এবং অন্যান্য চিরায়ত ধারার ইসলামিক শিক্ষাকেন্দ্র আজও চালু আছে, যদিও সংখ্যায় অনেক হ্রাস পেয়েছে। এর পেছনে অন্যতম কারণ হল উনবিংশ শতাব্দীজুড়ে মুসলিমবিশ্বে ইউরোপের বিভিন্ন শক্তির আগ্রাসন। উদাহরণস্বরূপ, ওসমানী সাম্রাজ্যে ফরাসি ধর্ম-নিরপেক্ষতাবাদী উপদেষ্টারা সুলতানকে শিক্ষা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর পরামর্শ দেন। এর অংশ হিসেবে তাদের পরামর্শ ছিল পাঠ্যক্রম থেকে ধর্মীয় শিক্ষা মুছে ফেলা এবং শুধুমাত্র ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষা চালু করা। সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের শত বছরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইউরোপীয় বইপুস্তকের উপর ভিত্তি করে ইউরোপীয় পাঠ্যক্রম চালু করে। যদিও মাদ্রাসাগুলো এখনও চালু আছে কিন্তু সরকারী সাহায্যের অভাবে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আজ আধুনিক মুসলিম বিশ্বের সাথে সামঞ্জস্যতা হারিয়ে ফেলেছে।

আজ এই একবিংশ শতাব্দীতে সাবেক ওসমানী সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর শিক্ষাব্যবস্থা ইউরোপীয় ধাঁচে পরিচালিত। উদাহরণস্বরূপ, আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিষয়ে পড়ার সুযোগ পাবেন তা নির্ভর করবে আপনি উচ্চ-বিদ্যালয়ের শেষে একটা নির্দিষ্ট পরীক্ষায় (আমাদের দেশে যেটা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা) কেমন ফলাফল করেছেন। যদি আপনি সেই পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করেন, কেবল তখনই আপনি বিজ্ঞান বিষয়ক বিষয়গুলো যেমন মেডিকেল অথবা ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ার সুযোগ পাবেন। আর যদি আপনার ফলাফল একটি নির্দিষ্ট স্কোরের চেয়ে খারাপ হয় তবে আপনি কেবল ইসলামিক এবং অন্যান্য বিষয়গুলোতে পড়তে পারবেন।

মুসলিম বিশ্বের বেশীরভাগ অঞ্চলেই এই নতুন সিস্টেম চালু হয়ে গেলেও চিরায়ত ধারার ইসলামিক শিক্ষাপদ্ধতি আজও চালু আছে। কায়রোর আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়, মরক্কোর ফেস নগরীর আল-কারাওনি বিশ্ববিদ্যালয়, এবং ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ এ এখনো চিরায়ত ধারার ইসলামিক শিক্ষাপদ্ধতি চালু রয়েছে যেখানে ইসলামী শিক্ষার পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়ও পড়ানো হয়। এ ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক ঐতিহ্যই ছিল অতীতের সব ঐতিহাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষাপদ্ধতির মূলে, যার থেকে বেরিয়ে এসেছিল ইসলামের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সব স্কলারগণ। এখনো এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ইসলামের বাণী ছড়িয়ে দিচ্ছে জনসাধারণের মাঝে।

অনুবাদ করা হয়েছেঃ Education in Islamic History আর্টিকেল থেকে।
অনুবাদকঃ আম্মার মেহফুজ

Bibliography – গ্রন্থপঞ্জিঃ

Ibn Khaldūn. The Muqaddimah, An Introduction To History. Bollingen, 1969. Print.

Lindsay, James E. Daily Life in the Medieval Islamic World. Indianapolis: Hackett Publishing Company, Inc., 2005. Print.

Morgan, M. Lost History. Washington D.C. : National Geographic Society, 2007. Print.

Advertisements

About ইসলামের হারানো ইতিহাস

An Islamic history website in Bengali language which is basically the Bengali translation of the “Lost Islamic History” website (lostislamichistory.com) and Facebook page (fb.com/LostIslamicHistory).
This entry was posted in গণিত ও বিজ্ঞান and tagged , , , , , , , , , , , , , . Bookmark the permalink.

পোস্টটির ব্যাপারে আপনার মন্তব্যঃ

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s