ওসমানী সাম্রাজ্যের পত্তন

ইবন খালদুনের রাজনৈতিক দর্শন মতে সব সাম্রাজ্যের মানুষের মতোই আয়ুষ্কাল রয়েছে। একটি সাম্রাজ্যের জন্ম হয়, এরপর বেড়ে উঠে, প্রাপ্তবয়স্ক হয়, তারপর আবার নিঃশেষ হতে হতে মৃত্যুবরণ করে। কোন সাম্রাজ্য কেন শক্তিশালী হয়ে উঠলো এবং কোথা থেকে কিভাবে এর শক্তি সঞ্চয় করলো, ব্যাপারগুলো বুঝতে হলে সাম্র্যাজ্যটির শৈশবকালের ব্যাপারে বিস্তারিত জানা খুবই জরুরী।

এই আর্টিকেলটি ওসমানী শাসনামলের প্রাথমিক বা শৈশবকালের উপর আলোকপাত করবে। ১৪ শতকে আনাতোলিয়া অঞ্চলের এক ক্ষুদ্র তুর্কী রাষ্ট্র থেকে উঠে এসে ওসমানীগণ ১৬ শতকের মধ্য পূর্ব ইউরোপ, দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া ও উত্তর আফ্রিকা পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলে তাদের শাসন কায়েম করেন। সেই ওসমানী রাষ্ট্রের প্রাথমিক সময়েই এই মহান সাম্রাজ্যের বীজ রোপিত হয়েছিল।

গাজী সমাজ
১০৭১ সালের গ্রীষ্মের দাবদাহে আনাতোলিয়ার পূর্বাংশে (বর্তমান তুরস্ক) এক ঐতিহাসিক ভয়াবহ যুদ্ধ চলছিল। মধ্য এশিয়ার বংশোদ্ভুত সেলজুক তুর্কীরা দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া জুড়ে কয়েক দশক আগে একটি শক্তিশালী সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিল। কালক্রমে তারা শক্তিশালী বাইজেইন্টাইন সাম্রাজ্যের সাথে যুদ্ধ শুরু করে, যারা সেই ভূখন্ড শাসন করে আসছিল কয়েক শতক ধরে। প্রকৃতপক্ষে, ৭ম শতক থেকেই বাইজেন্টাইন রোমান ও মুসলমানদের মধ্যে থেমে থেমে যুদ্ধ চলছিল। ১০৭১ সালে মানজিকার্ত (Manzikert) এর যুদ্ধে বাইজেন্টাইনদের বিরুদ্ধে সেলজুক সুলতান আল্‌প আরসালানের নেতৃত্বে সেলজুকদের জয় ছিল এক নজিববিহীন ঘটনা। ইতিপূর্বে কোন মুসলিম বাহিনীই এমন জয় প্রত্যক্ষ করেনি, যুদ্ধে বাইজেন্টাইন বাহিনীকে পুরো নাস্তানাবুদ করে ছেড়ে দেয়া হয়েছিল।

১৩০০ খ্রিস্টাব্দে আনাতোলিয়া। সকল বেইলিক এর মাঝে ওসমান গাজীর বেইলিক লাল রঙ্গে চিহ্নিত।

এরপরের দশক ও শতকগুলোতে আনাতোলিয়াকে তুর্কীদের বসতি গড়ার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। তুর্কীরা তাদের বাসভূমি ছেড়ে পূর্বে বাইজান্টাইনদের এলাকায় বসতি গড়তে তুলতে শুরু করে, নিজেদের শহর ও নগর গড়ে তোলে এবং ইসলাম গ্রহণ করা স্থানীয় জনগণের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে থাকে।

মানজিকার্তে ভয়াবহভাবে পর্যুদস্ত হওয়ার পরও বাইজান্টাইনরা ছিল তুর্কীদের জন্য হুমকিস্বরূপ। এ কারণে তুর্কীরা প্রায়সময়ই বাইজেন্টাইনদের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত থাকতো। এভাবে তুর্কীরা এমন একটি সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলে যেখানে সৈন্যদের গড়ে তোলা হতো, যারা বাইজেন্টাইনদের সাথে বিভিন্ন যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করতো। ইসলামের বাণী সমুন্নত রাখতে বাইজেন্টাইনদের সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা এই যোদ্ধাগণ “গাজী” হিসেবে পরিচিত ছিলেন। জনপ্রিয় ও সফল গাজীদের ঘিরে যোদ্ধাদের বিভিন্ন দল জড়ো হতো, তারপর ছোট ছোট সেনাদল গঠন করে গোটা আনাতোলিয়ার গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে পড়তো।

সময়ের সাথে এই সেনাদল গুলো নিজেদের ঘিরে স্বাধীন রাষ্ট্র গড়ে তুলতে শুরু করে। এই রাষ্ট্রগুলো ‘বেইলিক’ নামে পরিচিত ছিল এবং গাজী সমাজ প্রতিষ্ঠা করার ধারণাকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছিল। প্রতিটি রাষ্ট্র একেকজন নেতাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠতো যিনি সেই বেইলিক এর গাজীদের পরিচালনা করতেন এবং যুদ্ধে নেতৃত্ব দিতেন। ১৩ শতকের শেষের দিকে গোটা আনাতোলিয়া জুড়ে অসংখ্য বেইলিক এর অস্তিত্ব ছিল।

ওসমান গাজী
এই বেইলিকগুলোর মধ্যে একটি বেইলিক এর গাজী ছিলেন ‘ওসমান’ নামক এক ব্যক্তি। তাঁর জন্ম ১২৫৮ খ্রিস্টাব্দে, যে বছর মঙ্গোলরা বাগদাদ ধ্বংস করে। মঙ্গোল যুদ্ধের সাথে ওসমানের বেইলিক এর ভাগ্য জড়িত ছিল। কথিত আছে, ওসমান একবার স্বপ্নে দেখেন তার বুক থেকে একটি গাছের জন্ম হয়েছে এবং সেই গাছের শিকড়-ডালপালা গোটা এশিয়া, ইউরোপ এবং আফ্রিকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। ওসমানের শায়েখ, যার উপর ওসমান ইসলামী দিকনির্দেশনার ব্যাপারে নির্ভর করতেন, তিনি এই স্বপ্নের ব্যাখ্যা করেন এইভাবেঃ ওসমানের উত্তরসুরীরা এমন একটি সাম্রাজ্যের নেতৃত্ব দিবে যা এই তিন মহাদেশ নিয়ন্ত্রণ করবে।

ওসমান গাজী

ওসমানের উত্তরসুরীগণ এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেয়ার আগে ওসমানের বেইলিক এর অবস্থান ছিল উত্তর-পশ্চিম আনাতোলিয়ার “সোউত” (তুর্কীঃ Söğüt) নগরীকে ঘিরে, বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের সীমানা ঘেঁষে। গাজী হিসেবে তাই ওসমানের কাছে ব্যাপারটি অত্যন্ত গুরত্ব বহন করতো এবং এটিই ছিল তাঁর জীবনের সকল লক্ষ্যের কেন্দ্রবিন্দু। ফলশ্রুতিতে আনাতোলিয়ার অন্যান্য তুর্কী বেইলিকের কাছে তাঁর মর্যাদা বাড়তে থাকে এবং চারদিক থেকে গাজীরা এসে তাঁর দ্রুত বড় ও শক্তিশালী হতে থাকা রাষ্ট্রে যোগ দিতে থাকে।

ওসমানের জনশক্তির আরেকটি উৎস ছিল পূর্বদিকে মঙ্গোল আগ্রাসনের কারণে পালিয়ে আসা শরণার্থীরা। মঙ্গোলরা তখনও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় তাদের তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছিল আর শরণার্থীরা জীবন রক্ষার্থে মুসলিম বিশ্বের শেষ প্রান্তে চলে আসছিল (আনাতোলিয়া ছিল এই অঞ্চলের শেষ মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল, এর পরেই পশ্চিমে বাইজেন্টাইন রোমান সাম্রাজ্য)। এভাবে তাদের অনেকেই ওসমানের বেইলিক এ তাদের নতুন আবাসস্থল খুঁজে পায়।

যোদ্ধা বৃদ্ধির সাথে সাথে ওসমানের পক্ষে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের প্রতি চাপসৃষ্টি করা সম্ভব হচ্ছিল। সেই সময়ে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ছিল পুরো পতনমুখী। তাদের স্বর্ণযুগ অতীত হয়ে গিয়েছে অনেক আগেই, তাদের পক্ষে ওসমান ও তাঁর দুর্ধর্ষ গাজীদের মোকাবেলা করা ক্রমশই কঠিন হয়ে পড়ছিল। ফলে ১৪ শতকের শুরুর দিকের দশকগুলোতে ওসমান তাঁর বেইলিক এর সীমানা প্রবল আকারে বিস্তৃত করেছিলেন। এই সময়টিকেই ঐতিহাসিকগণ ওসমানের বেইলিক এর একটি সাম্রাজ্যে রূপান্তরিত হওয়ার সময় বলে উল্লেখ করেন। ওসমানীগণ তাদের রাষ্ট্রকে ডাকতেন “‌দেভলেত-ই-উসমানীয়ে”, যার অর্থ “‌ওসমান এর রাষ্ট্র”। ইংরেজীতে অটোমান (“Ottoman”) শব্দটি ওসমান এর নামের বিকৃতরূপ।

ওসমান পরবর্তী যুগ
ওসমান মৃত্যুবরণ করেন ১৩২৬ খ্রিস্টাব্দে, আর রেখে যান এমন একটি সাম্রাজ্যের ভিত্তিপ্রস্তর যা স্থায়ী ছিল ১৯২২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। সকল ভবিষ্যত সুলতানকে ক্ষমতা গ্রহণের প্রাক্কালে ওসমানের তলোয়ার দ্বারা অভিষিক্ত করা হতো, যা গাজী হিসেবে তাদের ভূমিকাকে অগ্রাধিকার দিত, এরপর সাম্রাজ্যের নেতা হিসেবে। ওসমানের পুত্র ওরহান গাজী (শাসনকালঃ ১৩২৬-১৩৬২) তাঁর বাবার মৃত্যুর পর নেতৃত্ব লাভ করেন। পুত্রের জন্য ওসমান অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ কিছু উপদেশ রেখে যানঃ

“পুত্র! সকল কর্তব্যের আগে ধর্মীয় কর্তব্যগুলোর ব্যাপারে সচেতন থাকবে। ধর্মীয় অনুশাসনই একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়ে তোলে। দায়িত্বজ্ঞানহীন, অবিশ্বাসী ও পাপী অথবা আমোদ-প্রমোদে লিপ্ত, উদাসীন বা অনভিজ্ঞ ব্যক্তির কাছে কখনোই ধর্মীয় দায়িত্বভার দিবেনা। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বও এ ধরনের কাউকে দিবেনা। কারণ যার হৃদয়ে সৃষ্টিকর্তার ভীতি নেই, তার হৃদয়ে সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টির ব্যাপারেও কোন ভীতি নেই। যে ব্যক্তি কোন বড় পাপ করে এবং পাপকার্য চালিয়ে যেতে থাকে সে ব্যক্তি বিশ্বস্ত হতে পারেনা। বিদ্বান, পূণ্যবান ব্যক্তিবর্গ, শিল্পী ও শিক্ষিতরাই রাষ্ট্রের কাঠামো মজবুত করে। তাঁদের সাথে উদার আচরণ করবে ও সম্মান দেখাবে। কোন পূণ্যবান ব্যক্তির ব্যাপারে অবগত হলে তাঁর সাথে ভাল সম্পর্ক তৈরী করবে, তাঁকে সম্পদ ও উপহার প্রদান করবে… রাজনৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্বসমূহকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোয় দাঁড় করাবে। আমার থেকে শিক্ষা গ্রহণ করো, আমি এখানে এসেছিলাম এক দুর্বল নেতা হিসেবে আর খোদা আজ আমাকে তাঁর সহায়তায় এমন এক অবস্থানে নিয়ে এসেছেন যার যোগ্য আমি নই। আমার পথ অনুসরণ করবে এবং দ্বীন-ই-মুহাম্মাদী (ইসলাম) কে রক্ষা করবে, বিশ্বাসীদের ও তোমার অনুসারীদেরকেও রক্ষা করবে। খোদা ও তাঁর বান্দাদের অধিকারকে সম্মান করবে। তোমার উত্তরসুরীদেরও এভাবে পরামর্শ দিতে কুন্ঠাবোধ করবেনা। আইন ও ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠায়, নির্মমতা-নিষ্ঠুরতা দূরীকরণে, প্রত্যেকটি কর্তব্য পালনে খোদার সাহায্যের উপর নির্ভর করবে। শত্রুর আক্রমণ ও নির্মমতা থেকে তোমার জনগণকে রক্ষা করবে। কারো সাথেই অন্যায় আচরণ করবেনা। তোমার জনগণকে সন্তুষ্ট রাখবে এবং তাদের জানমালের নিরাপত্তা দেবে।”

এখানে আমরা স্পষ্ট দেখতে পাই ওসমানী সুলতানগণ ইসলামের ব্যাপারে কতোটা গুরত্বারোপ করতেন। ওসমান তাঁর পুত্রকে শুধু রাষ্ট্র পরিচালনার উপদেশই দিয়ে যাননি, বরং এর সাথে ভাল মুসলমান হওয়ার গুণাবলীসমূহের একটি যোগসুত্র স্থাপন করেছেন। এই উপদেশাবলী শুধুমাত্র তাঁর পুত্র ওরহানের উদ্দেশ্যেই ছিলনা। পরবর্তী সকল ওসমানী সুলতানগণ তাদের সাম্রাজ্য সফলভাবে ও ইসলামিক রীতি অনুযায়ী শাসন করার জন্য তাদের পূর্বসুরীর এই উপদেশ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতেন।

বুরসা নগরীতে ওসমান গাজীর সমাধি

ওরহান তাঁর শাসনামলের প্রথম দিকেই বাইজেন্টাইনদের গুরত্বপূর্ণ শহর বুরসা দখলের মাধ্যমে পিতার সাম্রাজ্যের পরিধি বৃদ্ধি করেন। পরবর্তী দশকগুলোকে ওরহান, এরপর প্রথম মুরাদ (শাসনকালঃ ১৩৬২-১৩৮৯), এবং প্রথম বায়েজিদ (বায়েজিদ য়িলদিরিম, শাসনকালঃ ১৩৮৯-১৪০৩) ওসমানী সাম্রাজ্যের পরিধি বাড়াতে থাকেন। একদিকে পশ্চিমে তাঁরা বাইজেন্টাইনদের থেকে বিভিন্ন এলাকা জয় করতে থাকেন (পরবর্তীতে ইউরোপ মহাদেশস্থ বাইজেন্টাইন অঞ্চলেও বিস্তার লাভ করেন), অন্যদিকে অন্যান্য তুর্কী রাষ্ট্রগুলোকে সন্ধিচুক্তি, বৈবাহিক বন্ধন ও কখনো কখনো যুদ্ধের মাধ্যমে নিজেদের আয়ত্বে আনেন। ১৪ শতকের শেষদিকে শুধুমাত্র কনস্ট্যান্টিনোপোল (বর্তমানে ইস্তানবুল) ছাড়া বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের অধিকাংশই ওসমানী সাম্রাজ্যের অধীনে চলে আসে। ১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দের আগে কনস্ট্যান্টিনোপোল জয় করা সম্ভব হয়নি

৬০০ বছরের এই বর্ণালী ইতিহাসে ওসমানী সাম্রাজ্য নানা উত্থান পতনের মধ্য দিয়ে যায়। ওসমানীগণ নিজেদের ব্যাপারে এবং পৃথিবীতে তাদের ভূমিকা নিয়ে কি ধারণা পোষণ করতেন তা পরিপূর্ণরূপে অনুধাবন করতে হলে তাঁদের শিকড় ও উত্থানকে ভালোভাবে বুঝতে হবে। গাজী সমাজকে ঘিরে ছোট্ট তুর্কী বেইলিক থেকে একসময় তাঁরা আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী সাম্রাজ্যে পরিণত হন। শুরুর দিকেই গাজী জীবনব্যবস্থা ও ইসলাম রক্ষার ব্যাপারে ওসমানীগণ যে গুরত্বারোপ করতেন, তা দেখে আমরা বুঝতে পারি কিভাবে এই সাম্রাজ্য ১৫ ও ১৬ শতকে তাদের স্বর্ণযুগে পৌঁছেছিল

অনুবাদ করা হয়েছেঃ The Birth of the Ottoman Empire আর্টিকেল থেকে।
অনুবাদকঃ জাহ্‌রা বিনতে মুহাম্মাদ

Bibliography – গ্রন্থপঞ্জিঃ

Hourani, Albert Habib. A History Of The Arab Peoples. New York: Mjf Books, 1997. Print.

Itzkowitz, Norman. Ottoman Empire And Islamic Tradition. Chicago: University Of Chicago Press, 1981. Print.

Advertisements

About ইসলামের হারানো ইতিহাস

An Islamic history website in Bengali language which is basically the Bengali translation of the “Lost Islamic History” website (lostislamichistory.com) and Facebook page (fb.com/LostIslamicHistory).
This entry was posted in ওসমানী ইতিহাস and tagged , , , , , , , , . Bookmark the permalink.

পোস্টটির ব্যাপারে আপনার মন্তব্যঃ

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s